ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনি সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) তিনি জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন।
খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যদি নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে ইরান তাৎক্ষণিক, শক্তিশালী ও কার্যকর জবাব দেবে। এই জবাবের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে আগের হামলার স্থানগুলোর বাইরেও অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে। অর্থাৎ, সম্ভাব্য সংঘাতের পরিধি আরও বড় করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ আবার শুরু হলে কখন এবং কী শর্তে তা শেষ হবে, সেটি নির্ধারণ করবে ইরান। এই বক্তব্যের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি বা কূটনৈতিক সমঝোতার শর্ত নির্ধারণে তেহরানের অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
খামেনি চলমান উত্তেজনাকে ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, সেই সময়ের শত্রু ও হুমকিগুলো এখনো বিদ্যমান।
বৈঠকে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুরো জাতিকে সংঘাত মোকাবিলায় সংগঠিত ও প্রস্তুত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন খামেনি। বিশেষ করে, আধাসামরিক বাহিনী বাসিজের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
এছাড়া, ইরানের নেতৃত্বের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে যে, সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি শুধু বাইরের আক্রমণ মোকাবিলায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ বিরোধী পক্ষ ও কথিত শত্রুদের মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করার বার্তাও দিচ্ছে।