চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ শনিবার প্রকাশিত হয়েছে। বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন।
পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইন ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ফল সংগ্রহের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রকাশ করেছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীরা যাতে খুব সহজে এবং কোনো ভোগান্তি ছাড়াই দ্রুত ফল জানতে পারেন, সেজন্য অনলাইন ও এসএমএস—উভয় মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বেলা ১১টা থেকেই দেশের সব বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা একযোগে ফল দেখতে পাবেন। ১৬১৪০ শর্টকোডে মেসেজ পাঠিয়ে বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যাবে।
পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা বোর্ডগুলোর যৌথ ওয়েবসাইট (https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd) ছাড়াও নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফল দেখতে ও মার্কশিটসহ ডাউনলোড করতে পারবেন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ডের ওয়েবসাইটে ‘রেজাল্ট’ কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করে পুরো ফলাফলের শিট ডাউনলোড করতে পারবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও সরাসরি ফল সংগ্রহ করতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএস পাঠিয়ে সহজে ও দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে— এইচএসসি বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর ২০২৬ এবং তা ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিস থেকে সরাসরি কোনো ফলাফল বিতরণ করা হবে না। প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকছে। আগামীকাল ১ নভেম্বর থেকে অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, পুনর্নিরীক্ষণের বিস্তারিত নিয়মাবলী ও ফি প্রদানের প্রক্রিয়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।