ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষ স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট কাটানোর জন্য দেশটির সামনে চারটি পথ খোলা রয়েছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, বিরোধী ঐক্যের জোট সরকার গঠন, সব পক্ষকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন, বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের দলে ভিড়িয়ে নেতানিয়াহুর সরকার গঠন এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে পুনঃনির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিরোধীদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার গঠন করা একটি সম্ভাব্য বিকল্প। তবে, ডানপন্থী দুই নেতা নাফতালি বেনেট ও আভিগদর লিবারম্যান, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আমের সমর্থনে সরকার গঠনে আগ্রহী নন।
জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনও একটি বিকল্প। এতে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পাশাপাশি বর্তমান জোটের কয়েকটি দল এবং বিরোধী জোটের অন্তত একটি দলকে যুক্ত হতে হবে। কিন্তু বিরোধী জোটের নেতা আইজেনকোট ইতোমধ্যে নেতানিয়াহুর সঙ্গে একই সরকারে না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্য একটি বিকল্প হলো বিরোধী জোটের আইনপ্রণেতাদের নেতানিয়াহুর পক্ষ নেওয়া। তবে, এ ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর আরও আটজন জনপ্রতিনিধির সমর্থন প্রয়োজন, যা তার বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার কারণে সহজ হবে না।
অচলাবস্থা কাটানোর শেষ বিকল্প হিসেবে পুনঃনির্বাচনের পথ খোলা রয়েছে। যদি দলগুলোর নেতারা আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারেন, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী পুনঃনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী হবে।