ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে যাচ্ছে আরব দলগুলো। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সমীকরণ জটিল হয়ে উঠছে।
নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পথে থাকলেও আইজেনকটের জন্য সরকার গঠন সহজ হচ্ছে না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া সরকার গঠন করা কঠিন হবে।
বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে, কোনো পক্ষেরই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত নয়। তবে এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর রেকর্ডসংখ্যক আসন পাওয়ার আভাস রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আরব দলগুলো সরকার গঠনে নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে পারে। নেতানিয়াহু সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভের কারণে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ বেড়েছে।
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাইলেও গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযানের কারণে আইজেনকটের সরকারে যোগ দেবে না জয়েন্ট লিস্ট। তবে, দলটি বাইরে থেকে সমর্থনের সম্ভাবনা রেখেছে।
জয়েন্ট লিস্টের আরব নেতা ইউসেফ জাবারীন বলেন, ‘যদি তারা সত্যিই মনে করে, নতুন জোট পরিবর্তন আনতে পারবে, তাহলে আমরা বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারি।’
অন্যদিকে, আইজেনকটের সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী রা'আমের নেতা মনসুর আব্বাস। সরকার গঠনে আরব ভোট গুরুত্বপূর্ণ, অথচ কিছু বিরোধী শিবির আরব দলগুলোকে জোটসঙ্গী করতে অনীহা প্রকাশ করছে।
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সরকার গঠনের সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। তবে বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।