কক্সবাজারে লাখো পর্যটক সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। কিন্তু তাঁদের থাকার রিসোর্টগুলো কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইনানীতে আগুনে ১০ জনের মৃত্যুর পর মেরিন ড্রাইভজুড়ে অগ্নিনিরাপত্তার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভে গড়ে উঠেছে অন্তত আড়াই হাজার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। এর মধ্যে ৪০০টির অগ্নিনিরাপত্তা সনদ নেই এবং অনেক স্থাপনার প্রয়োজনীয় অনুমোদনও নেই।
কক্সবাজারের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, “আমাদের জনবল অনুযায়ী যতটুকু পারি, আইনে যতটুকু কুলায়; আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার ফজলে রাব্বী জানান, “আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু তাদের চিন্তা থাকে, আইনটা না মানার।” জেলা প্রশাসন জনবল সংকট ও সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, “কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জায়গা থেকে আমরা যোগাযোগ করেছি। খুব দ্রুততার সঙ্গে আমরা অবস্থান নিতে পারব বলে আশা করছি।”
এদিকে, আগুনে হতাহতের ঘটনার পর রিসোর্টগুলোর নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন পর্যটকেরা। অনুমোদনহীন ও অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এসব হোটেল-মোটেল রিসোর্টগুলো পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। তাই এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।