প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। তিনি সাভার সেনানিবাসে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ‘একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও জনগণের আস্থার মধ্যে।’
তিনি ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। জাতীয় পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন স্বাধীনতা ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা হয়েছে, তবে সেনাবাহিনীর জন্ম স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে তাদের বেতন ও ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টসহ বিভিন্ন ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সেনাবাহিনী প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।