চলতি মৌসুমে চেলসির ধারাবাহিকতার অভাব ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঘরের মাঠে ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়ে বড় চমক দেখিয়েছে ব্লুজরা। এই হারে আর্সেনালের সঙ্গে শিরোপা লড়াইয়ে চেলসির অবস্থান এখন প্রশ্নের মুখে।
ব্রেন্টফোর্ডের এই জয়ে ১৯৩৮ সালের পর প্রথমবার চেলসিকে হারানোর স্বাদ পেল তারা। এই জয়ের ফলে ব্রেন্টফোর্ড পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। দলের কোচ কিথ অ্যান্ড্রুজ ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “গত দুই দিন ধরে খেলোয়াড়দের চোখে যে মনোযোগ ও দৃঢ়তা দেখেছি, তারই প্রতিফলন ঘটেছে মাঠে।”
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্টফোর্ডের কমিউনিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চেলসির শুরুটা প্রাণবন্ত ছিল। নবম মিনিটে পেদ্রো নেতোর শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন ব্রেন্টফোর্ড গোলরক্ষক কাওইমহিন কেলেহার।
প্রথমার্ধে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত চেলসিকে দিতে হয় দ্বিতীয়ার্ধে। ৬০ মিনিটের পর সেট পিস থেকে লিড নেয় ব্রেন্টফোর্ড। মিকেল ডামসগার্ডের কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জেইডন অ্যান্থনি।
গোল হজমের পর মরিয়া চেলসি চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্রেন্টফোর্ডের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শেষ দিকে আরও দুই গোল হজম করে তারা। ৮৩ মিনিটে কেভিন শেডের শট ঠেকানোর পর ফিরতি বল জালে পাঠান ইগর থিয়াগো। যোগ করা সময়ে শেডের ক্রস থেকে ফাবিও কারভালহো ব্যবধান ৩-০ করেন।
এই জয়ের ফলে ব্রেন্টফোর্ড এখন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, চেলসির রক্ষণভাগে উন্নতির জন্য এখনও অনেক কাজ করতে হবে।