মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে হোটেলে আগুন, নিহত ৭ পশ্চিমবঙ্গের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৭ জনের মৃত্যু ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব, ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাওয়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে হারিকেন ‘লালা’, জরুরি অবস্থা ঘোষণা ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫১, আহত শতাধিক ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৫১ জনের মৃত্যু, হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭, ১৫০ ভবন ধসে পড়েছে চট্টগ্রামে গ্যাস লিকেজে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, ফেরদৌস স্টিলের কার্যক্রম স্থগিত ভার্জিনিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলিতে পাঁচজন আহত
জাতীয়

২১ বছর পূর্ণ হলো ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলার

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলার ২১ বছর পূর্ণ হলো।

২১ বছর পূর্ণ হলো ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলার

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দুপুরে মুন্সিগঞ্জ ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩০০টির বেশি স্থানে সাড়ে চার শতাধিক বোমা হামলা চালায় নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)।

হামলাগুলো আধ ঘণ্টার ব্যবধানে পরিচালিত হয়, যার ফলে দু’জন নিহত হন এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। আজ এই ঘটনার ২১ বছর পূর্ণ হলো।

তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার নানামুখী চাপের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়। এর ফলে জেএমবির শীর্ষ নেতাদের একে একে গ্রেফতার করা হয়।

বিস্ফোরণ ঘটানো স্থানগুলোর মধ্যে ছিল হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, জেলা আদালত, বিমানবন্দর, মার্কিন দূতাবাস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব ও সরকারি-আধা-সরকারি স্থাপনা। হামলার সময় জেএমবির সদস্যরা লিফলেটও ছড়ায়।

জেএমবির উদ্দেশ্য ছিল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়া। তবে ঘটনার দুই বছর পর সংগঠনটির শীর্ষ ৬ নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এছাড়া, এই সিরিজ হামলার জেরে দেড় শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়, যার বেশিরভাগের বিচার ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ সংগঠনটির ছয় শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, তার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানি, থিংকট্যাংক সদস্য আবদুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও সালাহউদ্দিনের ফাঁসি কার্যকর হয়।

বিজ্ঞাপন