রাশিয়ার শক্তিশালী হামলার ফলে ইউক্রেনের আকাশে দেখা যাচ্ছে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কিয়েভে ২৪টি ব্যালিস্টিক মিসাইলের আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
ইউক্রেনের প্রধান ভরসা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পেট্রিওট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম, কিন্তু বর্তমানে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের অভাব দেখা দিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা একে তুলনা করেছেন, গ্যারেজে ল্যাম্বরগিনি গাড়ি থাকলেও তাতে জ্বালানি নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রাগারে মিসাইলের সংকটের কারণে ইউক্রেনকে আরও পেট্রিওট মিসাইল সরবরাহ করা হচ্ছে না। বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট ভাগাভাগি করতে হচ্ছে, ফলে ইউক্রেনের জন্য নির্ধারিত সাপ্লাই চেইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
রাশিয়া তাদের হামলার কৌশলে পরিবর্তন এনেছে, প্রথমে সস্তা ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল ছুঁড়ে ইউক্রেনীয় রাডারকে ব্যস্ত করে। এরপর তারা দ্রুত গতির 'ইস্কান্দার-এম' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
ইউক্রেনের সামনে বর্তমানে দুটি বিকল্প রয়েছে। একটি হলো রাশিয়ার মিসাইল লঞ্চারগুলোতে আগাম হামলা চালানো, এবং দ্বিতীয়টি ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তায় নিজস্ব মিসাইল উৎপাদন বাড়ানো।
যদি ইউক্রেন শীতের আগে পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা সরবরাহ না পায়, তবে তাদের শহরের বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি বাড়বে। কিয়েভের এই সংকট আন্তর্জাতিক সামরিক ভারসাম্যের জটিল বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে।