আগামী ডিসেম্বরে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের প্রভাবমুক্ত এবং তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে কাউন্সিলে নেতৃত্ব চূড়ান্ত হবে।
দলটির নীতি-নির্ধারকেরা জানিয়েছেন, ত্যাগী নেতা-কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্বারোপের তাগিদ বিশ্লেষকদের।
২০১৬ সালে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকের শাসনামলে চাপের মধ্যে বিএনপি ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন করেছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পর এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিএনপি কাউন্সিল করতে পারেনি। এবার কাউন্সিলের মাধ্যমে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের লক্ষ্য নীতি নির্ধারকদের।
তিনি বলেন, ‘কাউন্সিল দীর্ঘদিন হয়নি কারণ যারা বিগত সরকারের অংশ ছিলেন, তারা বিএনপিকে উত্থান হতে দেবে না।’ তৃণমূলের যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নে প্রাধান্য দিচ্ছে বিএনপি।
ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন আরও বলেন, ‘আমাদের দলে সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের অভাব নেই। সেখানে আমরা যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেব এটাই প্রাধান্য।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি খুবই ইতিবাচক দিক। রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র না থাকলে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব।’
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর কাউন্সিলের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি অন্তর্কোন্দল দূর করতে মনোযোগী হওয়া উচিত।