যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরান হুমকি দিয়েছে যে যতদিন মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না।
আইআরজিসি দাবি করেছে, হরমুজে অনিরাপদ রুট দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের হামলা গত দশ দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে চলমান রয়েছে। বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, চাবাহার ও কোনারকে বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে।
মার্কিন সেনাবাহিনী জানায়, সর্বশেষ হামলায় তেহরানের সামরিক কমান্ড কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত হানা হয়েছে। সোমবারও জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান।
এই হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহে ইরানের হামলায় প্রায় একশো মার্কিন সেনা আহত হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি আবার কোনো মার্কিন সেনাকে হত্যা করে, তবে তার জবাব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খারগ দ্বীপ দখলের যেকোনো পদক্ষেপের পরিণাম যুক্তরাষ্ট্রকে ভোগ করতে হবে। মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, দ্বীপের বাসিন্দারাও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত।’
এদিকে, ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি পাকিস্তানে উচ্চপর্যায়ের সফরে রয়েছেন। এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।