আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হল স্পেন। ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে জয় নিশ্চিত করে স্পেন। এই বিজয়ের মাধ্যমে ১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের দাপট ছিল স্পষ্ট। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে গোলপোস্টে একটি শটও নিতে পারেনি। এটি ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ফাইনালিস্ট দলের জন্য এমন বন্ধ্যাত্বের ঘটনা।
স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনের কোনো সেভ করতে হয়নি, কারণ আর্জেন্টিনা তাদের ডিফেন্সের মধ্যে আটকে ছিল। প্রথমার্ধে তারা স্পেনের ডিবক্সে প্রবেশ করতে পারেনি। আর্জেন্টিনার বল দখলের হার ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ, যা ১৯৬৬ সালের পর তাদের সর্বনিম্ন বল দখলের হার।
যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে আর্জেন্টিনার দশজনের দলে পরিণত হয়। এতে তাদের জন্য লড়াই আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কিছু দারুণ সেভের পরও স্পেনের গোলের দেখা পাওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ফেরান তোরেসের গোলে স্পেন এগিয়ে যায়। যদি নিকো উইলিয়ামসের ফাউল বা ফেরান তোরেসের অফসাইডের কারণে দ্বিতীয় গোলটি বাতিল না হতো, তাহলে স্পেন বড় ব্যবধানে জয়ী হতে পারতো। আসরে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করে এবং সর্বনিম্ন গোল হজম করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়েছে।