ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাত ১টায়, যেখানে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। ফ্রান্সের আক্রমণভাগে রয়েছেন এমবাপে, দেম্বেলে এবং ওলিসে, যারা আসরের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছেন। অপরদিকে, স্পেনের ইয়ামাল ও ওয়ারসাবালরা ছন্দময় ফুটবল খেলছে।
বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে ফ্রান্স এগিয়ে থাকলেও, সাম্প্রতিক মুখোমুখি পরিসংখ্যানে স্পেনের দখলে রয়েছে সুবিধা। ফ্রান্স টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে মাঠে নামছে, যা আগে কেবল জার্মানি এবং ব্রাজিল করতে পেরেছে। চলতি আসরে ফ্রান্স প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে ১৬ বার।
ফ্রান্সের শেষ চারটি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে জয়লাভ করেছে এবং তাদের মধ্যে শেষ তিনটিতে তারা কোনো গোল হজম করেনি। ২০০৬ সালে স্পেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের একমাত্র মুখোমুখি ম্যাচে তারা ৩-১ গোলে জয়ী হয়েছিল।
স্প্যানিশ ভক্তরা সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে আশাবাদী। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়লাভ করেছিল স্পেন। গত বছর উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছিল স্পেন।
ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে বলেন, "স্পেন দলের প্রতিভার ছড়াছড়ি। আমরা তাদের পুরো দল নিয়ে সতর্ক।" অন্যদিকে, স্পেনের মিডফিল্ডার অ্যালেক্স বায়েনা জানান, "আমাদের শক্তি বল দখলে রেখে আক্রমণে যাওয়া এবং আক্রমণের শিকার হওয়া কমানো।"
এমবাপে সামান্য গোড়ালির চোট কাটিয়ে উঠেছেন এবং সেমিফাইনালে শুরুর একাদশে মাঠে নামবেন। তিনি ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টে ৮টি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন।
স্পেনের আক্রমণভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। মিকেল ওয়ারসাবাল ৪টি গোল করে আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেবেন। ফেরান তোরেস এবং চোট কাটিয়ে ফেরা নিকো উইলিয়ামসও বেঞ্চ থেকে মূল একাদশে আসার জন্য প্রস্তুত আছেন।