এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত জনজীবন। ভারতের দিল্লিতে ভবন ধসে অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এক সপ্তাহের টানা বর্ষণে মহারাষ্ট্রে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। চীনে ঝড়, বন্যা ও ভূমিধসে কয়েকদিনে অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গুজরাট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুরাটসহ বিভিন্ন জেলায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
মহারাষ্ট্র, গোয়া ও গুজরাটের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি রয়েছে। দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
দিল্লিসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে অরেঞ্জ ও রেড অ্যালার্ট বহাল রয়েছে। কর্ণাটক, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও পশ্চিমবঙ্গেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
চীনের দক্ষিণ ও মধ্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ ভেঙে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অনেক পরিবার।
টাইফুন বাভির সম্ভাব্য আঘাত মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। তাইওয়ানে টাইফুন বাভিকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলে টাইফুন মেইসাকের প্রভাবে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। থাইল্যান্ডের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি প্রদেশেও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।