শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
শিক্ষা

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদের ডেটাবেজ তৈরি করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদের ডেটাবেজ তৈরি হয়েছে, যা নতুন ওষুধ উদ্ভাবনে সহায়ক হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদের ডেটাবেজ তৈরি করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ মেডিসিনাল প্ল্যান্টস অ্যান্ড ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেজ (বিএমপিপিডি) নামে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদের ডেটাবেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা ভারতের রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। এই ডেটাবেজে প্রায় ৭০০টি ঔষধি উদ্ভিদের ৬৩ হাজার ঔষধী গুনসম্পন্ন রাসায়নিক উপাদানের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডন অব বায়োইনফরমেটিক্সের দাবি, এই তথ্যভান্ডার দেশের গবেষকদের নতুন ওষুধ উদ্ভাবনে সহায়ক হবে। ডন অব বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষক ফয়সাল আহমেদ জানান, বাংলাদেশে ঔষধি গাছের একটি বৃহৎ হাব রয়েছে এবং এতগুলো ঔষধি উদ্ভিদের তথ্য একত্রিত করা আগে কখনো সম্ভব হয়নি।

ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমাদের একটি গবেষণা ছিলো যে বিষকাটালি উদ্ভিদের মধ্যে একটি মোলিকুল আছে, যা লিভার ক্যান্সারে কার্যকর। এ ধরনের অসংখ্য মোলিকুল রয়েছে, যেগুলো থেকে কার্যকর নতুন ওষুধ তৈরি করা সম্ভব।”

বিএমপিপিডি ৩১ জন গবেষক ও সহকারীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে। গবেষকরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন (ডি নোভো) ওষুধ উদ্ভাবনের সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।

গবেষণার জন্য দেশের ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এই ডেটাবেজ উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে দেশে এ খাতে প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। ডন অব বায়োইনফরমেটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা জানান, তাদের তৈরি ডেটাবেজ ভারতের IMPAAT 2.0 কে পেছনে ফেলে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ঔষধি উদ্ভিদের তথ্যভান্ডার হয়েছে।

পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা শুধুমাত্র নতুন ওষুধ উদ্ভাবন নয়, মোলিকিউলার ডায়াগোনস্টিকের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ নানা রোগের প্রতিকারে কাজ করতে চান।

বিজ্ঞাপন