যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক শক্তির জোরদার প্রতিরোধে তার রণকৌশল পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। তেহরানের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে, ওয়াশিংটন ইসরায়েলে কিছু ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটি স্থানান্তর করতে চায়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা ভাবছে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়, যার ফলে মার্কিন কমান্ড সদর দপ্তরসহ অন্তত এক ডজন স্থাপনা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এ ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। বাহরাইনে পঞ্চম মার্কিন নৌবহরের সদর দপ্তর বারবার ইরানের হামলার শিকার হয়েছে, এবং ওয়াশিংটন এই কৌশলগত নৌঘাঁটির সংস্কারের পরিকল্পনা করছে।
মার্কিন নাগরিকদের মনোভাবেও পরিবর্তন দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জনমত জরিপে দেখা যায়, ৬০ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ লাভজনক হয়নি।
জরিপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও মতামত জানতে চাওয়া হয়, যেখানে ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পরও তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা রয়ে গেছে। রয়টার্স/ইপসোস পরিচালিত আরেক জরিপে দেখা যায়, ৬৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।