কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়া বিশ্ব ফুটবলে আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন। ৪০ বছর বয়সী এই তারকা স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ম্যাচসেরা হন।
বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোজিনিয়ার অনুসারী সংখ্যা ৪৪ হাজার থেকে বেড়ে ৬৮ লাখে পৌঁছেছে। তার নামকরণের পেছনে রয়েছে একটি চমকপ্রদ গল্প, যা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের সাথে জড়িত।
ভোজিনিয়ার আসল নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। তার বাবা জে পেদ্রো প্রথমে ছেলের নাম রাখতে চেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় হোর্হে ভালদানো। কিন্তু কেপ ভার্দের নাম নিবন্ধন দপ্তরের নিয়মের কারণে এই নাম রাখা সম্ভব হয়নি।
এরপর তিনি ব্রাজিলের ডিফেন্ডার জোসিমারের নাম রাখার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে জোসিমারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে তার নাম রাখা হয়। ভোজিনিয়া নামটি তার দাদা-দাদির সঙ্গে সম্পর্কের প্রতীক হয়ে ওঠে।
ভোজিনিয়া তার ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুতে অ্যাঙ্গোলায় গিয়ে নামের সমস্যায় পড়েন। সেখানে আরেক গোলকিপারের নাম ছিল জোসিমার। ফলে তিনি সিদ্ধান্ত নেন কেপ ভার্দেতে পরিচিত নাম 'ভোজিনিয়া' ব্যবহার করবেন।
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে আবেগে ভোজিনিয়া বলেন, “আমি আমার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে ভীষণ গর্বিত। এটা আমার জন্য এক বড় সম্মানের বিষয়।” তিনি তার দাদা-দাদির কথা মনে করে চোখে অশ্রু নিয়ে কথা বলেন।