পুনর্গঠিত গাজায় কেবল ফিলিস্তিনি পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকবে বলে জানিয়েছেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হুসাম বাদরান। তবে হামাস এখনই অস্ত্র ত্যাগ করবে না, অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাদরান বলেন, গাজার রাস্তাঘাটে পুলিশের আনুষ্ঠানিক অস্ত্র ছাড়া আর কোনো অস্ত্র দৃশ্যমান থাকবে না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এটি হামাসের অস্ত্র সমর্পণের অর্থ নয়।
২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার অন্যতম অমীমাংসিত বিষয় হল হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার। বাদরান জানান, এই সপ্তাহের শেষে মিসরের কায়রোতে গাজার ঐক্যবদ্ধ জাতীয় কমিটি গঠনের জন্য হামাস, ইসলামিক জিহাদ ও ফাতাহসহ প্রধান আটটি ফিলিস্তিনি দল একত্রিত হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল প্রথম ধাপের বাধ্যবাধকতার ৩০ শতাংশও বাস্তবায়ন করেনি, যা পরবর্তী ধাপে উত্তরণের সম্ভাবনাকে কঠিন করে তুলেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় প্রায় এক হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
এছাড়া, গাজার জন্য দিনে ৬০০ ত্রাণের ট্রাক প্রবেশের কথা থাকলেও, সেখানে পৌঁছাতে পেরেছে মাত্র ১৫০টি। গাজায় ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান ভূখণ্ড দখল হামাসের ক্ষমতা হস্তান্তরকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাদরান নিশ্চিত করেন, কায়রো-ভিত্তিক জাতীয় কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করেছে হামাস।