ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সোমবার ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। বিক্ষোভের ফলে খুরশিদ আলম কাজে যোগ দিতে পারেননি।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে এবং তারা চান নতুন চেয়ারম্যানকে সরাতে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এতে প্রায় অর্ধ-শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্দোলনকারীদের একজন জানান, পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করেছে, যা অনেককে আহত করেছে। অন্য একজন বলেন, “আমরা এস আলমকে দ্বিতীয়বার আর এখানে প্রশ্রয় দেব না ইনশাআল্লাহ্।”
পুলিশের হামলার পর আন্দোলনকারীরা নতুন চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি নিয়ে দূরে অবস্থান নেন। তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক ডাকাতির শিকার হয়েছে এবং খুরশিদ আলমকে পদত্যাগ করাতে হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগের সিদ্ধান্ত সঠিক এবং তাকে সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “একটি রাজনৈতিক গ্রুপের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ থাকছে। এই অসন্তোষ প্রমাণ করে দেয়, চেয়ারম্যান নিয়োগের বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত সঠিক।”
গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন ড. জুবায়দুর রহমান এবং পরে খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে, জুলাই বিপ্লবের পর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের মুখে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে সরানো হয়েছিল।