২০১০ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপার স্বাদ নেয় স্প্যানিশরা। ওই পরাজয় যেন প্রতিশোধের আগুনের মতো জ্বলছে প্রতিটি ডাচ প্লেয়ারদের হৃদয়ে।
গ্রুপ পর্বে আবার স্পেনের মুখোমুখি হবে ডাচরা। খেলার প্রথমার্ধে স্পেন পেনাল্টি পেয়ে যায়, জাবি আলোনসো স্পট কিক থেকে গোল করেন। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে রবিন ভ্যান পার্সি ঐতিহাসিক গোল করে 'ফ্লাইং ডাচম্যান' খেতাব অর্জন করেন।
নেদারল্যান্ডস তিনবার বিশ্বকাপে রানার্স-আপ হলেও, ইতিহাস তাদের 'লুজার' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে, এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপে 'ডার্ক হর্স' হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে চায় ডাচরা।
জাতীয় দলের স্কোয়াড ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে। টানা আট ম্যাচে অপরাজিত থেকে বাছাইপর্ব শেষ করলেও, দলটিকে 'আন্ডারডগ' হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ১৯৮৮ ইউরো জয়ের পর বিশ্বমঞ্চে সফলতা পুনরাবৃত্তি হয়নি।
দলটির শক্তি তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। ডিফেন্সে ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন ও জুরিয়েন টিম্বার আছেন। মিডফিল্ডে রায়ান গ্রাভেনবার্খ ও তিজানি রেইনডার্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তবে, জাভি সিমন্সের ইনজুরিতে দলের জন্য বড় ধাক্কা। মেমফিস ডিপাই এখনও পুরোপুরি ফিট নন, যদিও স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। কোচ রোনাল্ড কোম্যান তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ার চেষ্টা করছেন।
গ্রুপ এফ-এ নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া। বিশেষ করে, জাপানকে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ১৪ জুন জাপানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডস।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিভাবান স্কোয়াড থাকা সত্ত্বেও, দলগত সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে নেদারল্যান্ডসের শিরোপা স্বপ্ন অপূর্ণ থাকতে পারে।
২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়রা হলেন: বার্ট ভারব্রুগেন, রবিন রোফস, মার্ক ফ্লেকেন, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, কোডি গাকপো, ও মেমফিস ডিপাই।