ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন।
তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করেননি।
তারেক রহমান বলেন, “আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি।” তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে লাখ লাখ মানুষ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমেছিলেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি।
তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।
আজকের বাংলাদেশের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।”