সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন নীতিমালায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে গবেষক ও পরিবেশ আন্দোলনকারীরা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয়। নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন ২ হাজার দর্শনার্থী ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। তবে, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের সভাপতি আনোয়ার কামাল দাবি করেছেন, প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার পর্যটক আসার সুযোগ থাকা উচিত।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "লোকাল স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেছেন, সেন্টমার্টিনের রিসোর্টগুলো আদালত কর্তৃক অবৈধ এবং পরিবেশের স্বার্থে এগুলো বন্ধ করা উচিত। তিনি বলেন, "রিসোর্ট ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনা করে নীতিমালা পরিবর্তন করা উচিত নয়।"
গবেষক ড. রেজা খান জানান, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ভিন্নভাবে সাজাতে হবে এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি বলেন, "শাহপরি অথবা টেকনাফে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।"
বর্তমানে, পর্যটনে কড়াকড়ি থাকার কারণে দক্ষিণ পাড়ে সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসছে এবং ছেঁড়াদিয়া দ্বীপের কেয়া বন সজীব হয়ে উঠেছে।