পোল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার হামলার সময় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, তবে দেশের আকাশসীমায় কোনো উলঙ্ঘন ঘটেনি। পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছে পশ্চিম ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কারণে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।
নাটোর পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত দেশগুলো ইউক্রেনের যুদ্ধের সম্ভাব্য উত্তেজনা নিয়ে চিন্তিত। শুক্রবার বুলগেরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, সোফিয়া নাটোর কাছে তাদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য সাহায্য চেয়েছে।
রাতের হামলায় পশ্চিম ইউক্রেনের ভোলিন অঞ্চলে ৩৭০,০০০ মানুষের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয় গভর্নর রোমান রোমানিয়ুক জানান, হামলায় দুইজন আহত হয়েছে।
খারকিভ শহরে একটি ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ইউক্রেনে উমান শহরের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছে।
রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। রাশিয়া দাবি করেছে যে, তারা গত রাতে ৬৪৪টি ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
নাটোর সদস্য দেশগুলো রাশিয়ার কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে রোমানিয়া, মলদোভা, পোল্যান্ড এবং বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতে ড্রোনের অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকে। বুলগেরিয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নাটোর কাছে যুদ্ধবিমান এবং অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা মোতায়েনের আবেদন করেছে।
বুলগেরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডিমিটার স্টয়ানোভ বলেন, "আমরা নাটোর মহাসচিব এবং সর্বোচ্চ মিত্র কমান্ডারের কাছে আমাদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি অনুরোধ পাঠিয়েছি।" তিনি জানান, তিনি রোমানিয়া এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে শীঘ্রই বৈঠক করবেন।