শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
লক্ষ্মীপুরের মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা জোরদার লক্ষ্মীপুরে কওমি মাদ্রাসায় শিশুকে শিকল দিয়ে নির্যাতন কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে সিএনজিচালক গ্রেপ্তার কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা: সিএনজি চালক গ্রেফতার রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ৩, আহত অনেকে কুমিল্লায় ১৫ বছরের কিশোরীর লাশ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হারিকেন ইসাইয়াস ইউক্রেনে রুশ বোমা হামলায় নিহত ৩৩, আহত ১৮ ক্রামাতোরস্কে রাশিয়ান হামলায় ৩৩ জন নিহত
রাজনীতি

দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল আটক, নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল আটক।

দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল আটক, নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক হয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে তার বাসভবনের সামনে থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

এই ঘটনার পটভূমিতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিকল্পিত ছিল। এএপি এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃবৃন্দের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।

কেজরিওয়াল আটক হওয়ার পর একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি অন্য আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে বসে ‘জ্ঞানেশ কুমার, পদত্যাগ করুন’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় আম আদমি পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা সঞ্জয় সিংসহ অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

কেজরিওয়াল তার আটক হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কেন্দ্রের সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “এটি জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ। এখন স্পষ্ট: আমরা মোদির শাসনে সম্পূর্ণ একনায়কতন্ত্রের মধ্যে বাস করছি।”

তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি জানেন যে ‘ভোট চুরি’ করে তিনি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন এবং এখন সেই জালিয়াতি আড়াল করতে গণতন্ত্রকে দমন করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে, একই ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও আটক করা হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়নি এবং তাদের আইনি অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন