যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করতে চান।
তবে, এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন ও রাশিয়া। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা কোনো সমাধান নয় এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।
রাশিয়ার কূটনীতিক মিখাইল উলিয়ানভও ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান বহু বছর ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে টিকে আছে এবং পূর্বের 'সর্বোচ্চ চাপের' নীতি তেহরানকে নত করতে পারেনি।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এই তালিকায় চীন অন্যতম।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি অভিযোগ করেছেন যে, ওয়াশিংটন সামরিক চাপ ব্যর্থ হওয়ার পর অর্থনৈতিক চাপকে নতুন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি আরও বলেন, আমেরিকার ব্যর্থ নীতিতে আরও জোর দিলে ফল হবে আরও ব্যর্থতা।
এখন প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা যদি চীন ও রাশিয়ার বিরোধিতার মুখে পড়ে, তাহলে কি ইরানকে দুর্বল করার উদ্যোগই আমেরিকার জন্য নতুন সংকট তৈরি করবে?