জুন মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। তবে, কিছুদিন পরেই ডারউইনে অনুষ্ঠিত টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে বাংলাদেশ নতুন ইতিহাস রচনা করে।
ডারউইন টেস্টের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত। তারা অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেয়। জবাবে, তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাফ-সেঞ্চুরির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান তোলে।
দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রানে থেমে যায় এবং বাংলাদেশকে মাত্র ৫৭ রান লক্ষ্য দেয়। চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশ মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জেতা কঠিন, কিন্তু বাংলাদেশ মাত্র ৩ নম্বর টেস্টেই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় তারা দ্রুততম জয় লাভ করেছে।
তানজিদ তামিমের ১০১ রানের সেঞ্চুরি তাকে ইতিহাসের দ্বিতীয় এশিয়ান ব্যাটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করার গৌরব এনে দিয়েছে।
হাসান মাহমুদ প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার অর্জন করেন। তিনি এক টেস্টে ৯ উইকেট নেওয়া ৩য় বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ইতিহাসে স্থান পান।
জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজয় থেকে ফিরে এসে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের এই ঐতিহাসিক জয় প্রমাণ করে যে সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিকতা থাকলে যেকোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে পরাজিত করা সম্ভব।