বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্কিত সাংবাদিক সমাজ

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্কিত সাংবাদিক সমাজ।

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্কিত সাংবাদিক সমাজ

খুলনায় চার সাংবাদিক ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর শান্তিধাম মোড় সংলগ্ন একুশে পদক প্রাপ্ত প্রয়াত সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মতে, ওই সড়কে তিনটি স্থানীয় দৈনিক ও একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার অফিস রয়েছে। প্রতিদিন রাতে সাংবাদিকরা সেখানে এসে আড্ডা দেন। বুধবার রাতেও খুলনা টিভি রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মতি, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম টুটুল, দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ রানা কবির ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ আড্ডা দিচ্ছিলেন।

মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিহিত দুই দুর্বৃত্ত এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি রকিবুল ইসলাম মতির বসার প্লাস্টিকের টুলে এসে লাগে। এ ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে সাংবাদিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

রকিবুল ইসলাম মতি বলেন, “আমরা আড্ডা দিচ্ছিলাম, হঠাৎ বাইক থেকে এসে গুলি করা হয়। আমরা এখনও বুঝতে পারছি না, কাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলো।”

সাংবাদিক আওয়াল শেখ বলেন, “হঠাৎ দুটো ছেলে বাইক নিয়ে এসে গুলি করে চলে গেল। কিছু বোঝার আগেই ঘটনা ঘটলো।” সৈয়দ রানা কবির বলেন, “ঘটনাস্থলে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি।”

খুলনা টিভি রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের পর খুলনায় নিয়মিত গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি আমাদের আতঙ্কিত করেছে।”

খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, “আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনকে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, “আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছি। অচিরেই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

বিজ্ঞাপন