ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও জরুরি সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, খাবার সংকট এড়াতে প্রয়োজনীয় চাল ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দুর্গম অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে পানির বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এন্টিভেনোম সরবরাহ করা হবে।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বীজতলা, সার এবং খর-ঘাস সরবরাহ করা হবে। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে, তবে পানি বাহিত রোগ বাড়ছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে দ্রুত পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, সরকার বন্যার শুরু থেকেই প্রতিটি জেলায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্যার পর ডায়রিয়া ও কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে, তাই বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুদ রয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, বন্যায় যেসব অঞ্চলে বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হবে।