হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। রোববার, ওমানের দুকম বন্দরে ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) একটি আকস্মিক হামলা চালায়, যা রসদ সরবরাহ কেন্দ্র এবং বিমানবাহী রণতরীর জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ করে।
এই হামলার ফলে ইরান ও ওমানের মধ্যে সম্পর্কের গভীর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ওমান এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এটিকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ' হিসেবে অভিহিত করেছে এবং প্রতিবাদস্বরূপ ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
হরমুজ প্রণালীর নৌচলাচল ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওমান দক্ষিণ নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থাটি বজায় রাখার প্রস্তাব দিয়েছে।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু মার্কিন চাপের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি জানান, নিরাপদ চলাচলের জন্য একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা ইরানের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য আলী খেজরিয়ান হুমকি দিয়েছেন যে, ইরান ওমানের সহযোগিতা ছাড়াও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে।
ইব্রাহিম রেজাই ও মাহমুদ নাভাবিয়ানসহ অন্যান্য আইনপ্রণেতারা একই বার্তা দিয়েছেন, এবং ইরানকে এই অঞ্চলের প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।