যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইকুয়েডরের চোন কিলার গ্যাংকে বিদেশী "সন্ত্রাসী সংগঠন" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গ্যাংটি সাধারণ নাগরিক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে।
রুবিও বলেন, "চোন কিলার গ্যাং অসংখ্য হামলা চালিয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল সাধারণ নাগরিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তারা, যার মধ্যে উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যার ঘটনাও রয়েছে।"
এই পদক্ষেপটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ, যা লাতিন আমেরিকায় সংগঠিত অপরাধ এবং মাদক পাচারের বিরুদ্ধে। ট্রাম্প প্রশাসন অন্যান্য লাতিন আমেরিকান গ্যাং এবং মাদক কার্টেলগুলোকে "সন্ত্রাসী" সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
রুবিও আরও দাবি করেন যে, ইকুয়েডরের গ্যাংগুলো মেক্সিকান কার্টেলগুলোর জন্য অবৈধ মাদক পরিবহন এবং রপ্তানিতে সহায়তা করে, যা "সন্ত্রাসবাদ" এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য অর্থায়ন করে।
ইকুয়েডরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটি প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার অপরাধ সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থনকে প্রতিফলিত করে বলে জানিয়েছে।
নোবোয়া, ট্রাম্পের একজন দৃঢ় সমর্থক, বিভিন্ন প্রদেশে কারফিউ জারি করেছেন এবং গ্যাং কার্যকলাপ দমনে মার্কিন সমর্থনে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছেন।