ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জরিপ অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এই যুদ্ধের ফলে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি হতাশা সৃষ্টি করেছে।
জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পরও যুদ্ধের শান্তিচুক্তি হতে ১০৭ দিন লেগেছে, যা জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়ে তুলেছে।
ম্যাসাচুসেটসের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, জ্বালানি ও খাদ্য পরিষেবার খরচ বাড়তে থাকায় তাদের পারিবারিক বাজেটে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। একজন বাসিন্দা বলেন, 'কয়েক মাস আগের তুলনায় গ্যাসের দাম অনেক বেড়েছে। মুদিদোকানে গেলে খাবারের দামও অনেক বেশি। এটা মেনে নেওয়া যায় না।'
যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের ওপর জোর দিচ্ছেন। এক মার্কিন নাগরিক বলেন, 'জীবনযাত্রার ব্যয় কেবল বেড়েই চলেছে। বেঁচে থাকা এবং সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।'
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ১১২ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ভোক্তাদের ওপর আর্থিক বোঝা ৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, পরে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তেহরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ৮ এপ্রিল।