মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সামরিক অভিযানের সূচনা হয়েছে, যার লক্ষ্য আমেরিকার সামরিক উপস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করা। ইরান বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর দাবি করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা দুই দফা সামরিক অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ১৮টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। এর মধ্যে কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমাদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা এয়ারবেস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যা ওয়াশিংটনের ভাষায় ছিল ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’। তবে তেহরানের প্রতিক্রিয়া দ্রুত এসেছে।
বর্তমানে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বাহরাইনে সাইরেন বাজানো হচ্ছে এবং কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। জর্ডানে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ইরানের সামরিক নেতৃত্ব জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো মার্কিন আগ্রাসনের জবাব হবে ‘চূর্ণবিচূর্ণ ও সিদ্ধান্তমূলক’। তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার দীর্ঘদিনের সামরিক আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। ইরান মার্কিন শক্তির প্রতীকগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর চেষ্টা করছে, যা এই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যকে পরিবর্তন করতে পারে।