মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ 'অত্যন্ত দ্রুত' শেষ হবে। তবে, রবিবার ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে এবং যুদ্ধের পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল নয়।
এপ্রিল ৮ তারিখে একটি ceasefire চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ রয়েছে এবং sporadic হামলা অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরা যুদ্ধের প্রথম ১০০ দিনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, লেবাননে নিহতের সংখ্যা ইরানের তুলনায় বেশি।
লেবাননে ৩,৫৯৩ জন, ইরানে ৩,৪৬৮ জন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে ২৯ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, ইরানি হামলার ফলে ২৬ জন ইসরায়েলি এবং ১৩ জন মার্কিন সেনাও নিহত হয়েছে।
লেবাননে এপ্রিল ১৭ তারিখে একটি আলাদা ceasefire কার্যকর হলেও, ইসরায়েল এখনও দেশটির দক্ষিণে হামলা চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এই আক্রমণকে 'ভূমি পোড়ানোর নীতি এবং সম্মিলিত শাস্তি' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এখন পর্যন্ত, ইসরায়েলি বাহিনী ২,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করেছে, যা দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। লেবাননে হামলার ফলে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইরানের ৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষও বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যখন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মূল অবকাঠামো এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে ৬০৭টি জাহাজ পারাপার হয়েছে, যা যুদ্ধের আগে প্রতিদিনের গড় ১০০টির তুলনায় অনেক কম। যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে এবং তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।