যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রাডার ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। হামলাটি গোরুক ও কেশম দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তেহরানের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবে এ হামলাকে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সেন্টকমের এক্সে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন এমকিউ ওয়ান ড্রোন ভূপাতিতের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরান যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত চুক্তির শর্ত পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। চুক্তির সংশোধনের মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালি এবং উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়।
রোববার ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফ বলেছেন, ইরানের জনগণের অধিকার সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি মেনে নেবে না তেহরান।
গালিবাফ বলেন, ‘শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা নেই আমাদের। আমরা কেবল বাস্তব ও স্পষ্ট ফল দেখার পরই নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালন করব।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে অবরুদ্ধ ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের সম্পদ মুক্তি দেয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।