রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

কম্বোডিয়া সমুদ্রের তলদেশে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের খোঁজে

কম্বোডিয়া সমুদ্রের তলদেশে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি সম্পদ আহরণে মনোযোগ দিচ্ছে।

কম্বোডিয়া সমুদ্রের তলদেশে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের খোঁজে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান জ্বালানি সম্পদ আহরণে জোর দিচ্ছে কম্বোডিয়া, যার মূল্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার। থাইল্যান্ডের সাথে দীর্ঘদিনের সামুদ্রিক বিরোধ নিষ্পত্তির প্রয়োজন রয়েছে।

এখনকার পরিস্থিতিতে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সংকট বেড়েছে। বিশেষ করে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কম্বোডিয়া বর্তমানে জলবিদ্যুৎ এবং ক্রমবর্ধমান সৌর সক্ষমতার মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের ওপর নির্ভর করছে। তবে দেশটির কাছে সমুদ্রের তলদেশের জ্বালানি সম্পদ আহরণের সুযোগ রয়েছে।

কম্বোডিয়ার খনি ও জ্বালানি মন্ত্রী কিও রোত্তানাক বলেন, ‘সংকটের আগে, সম্ভবত সব দেশই জ্বালানি নিরাপত্তাকে কিছুটা হালকাভাবে নিতো। কিন্তু চলমান সংকট, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা, যেকোনো দেশের জ্বালানি ঘাটতিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।’

কম্বোডিয়া এবং থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত বিরোধে প্রায় ২৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল এবং প্রায় ১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে।

কিও রোত্তানাক আরও বলেন, ‘তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান রাতারাতি সম্ভব নয়। এমনকি যদি দুই পক্ষ আজই সবকিছুর সমাধান করে, তবুও এর জন্য আর্থিক সংস্থান ও প্রযুক্তি বাড়াতে সময় লাগবে।’

আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলো সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহী, যদি প্রতিবেশী দেশ দুটি থাইল্যান্ড উপসাগরের একটি সামুদ্রিক এলাকা নিয়ে তাদের মতবিরোধ নিরসন করতে পারে।

বিজ্ঞাপন