চিত্রনায়িকা অধরা খান ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানালেন। তিনি পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের অভাবের অভিযোগ তুলেছেন।
অধরা জানান, সিনেমাটির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এই অভিজ্ঞতাকে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের একটি বড় ভুল হিসেবে দেখছেন।
অভিনেত্রী বলেন, ‘ভায়োলেন্স’ থেকে নিজেকে সরানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় ভক্ত ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি আরো জানান, হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রকল্পে কাজের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। চুক্তিগত গোপনীয়তার কারণে সেসব কাজের বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারছেন না।
অধরা বলেন, অন্যান্য কাজের সময়সূচি ঠিক রাখতে না পারায় কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকেও সতর্কবার্তা পেয়েছেন। সিনেমাটির শুটিংয়ের মাত্র এক দিন আগে যোগাযোগের চেষ্টা করা ছিল তার কাছে হতাশাজনক।
বাংলা সিনেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই ‘ভায়োলেন্স’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন অধরা। তবে এখন তিনি পরিচালকের পেশাদার আচরণ, যথাযথ যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়ে আরও গভীরভাবে ভাবছেন।
অধরা স্পষ্ট করেছেন, কাউকে ছোট করা কিংবা সিনেমাটির ক্ষতি করা তার উদ্দেশ্য নয়। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, একজন শিল্পীর সময়, শ্রম ও আত্মসম্মানেরও মূল্য রয়েছে।
‘ভায়োলেন্স’ সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কামাল হোসেন বাবর, যেখানে অভিনয় করছেন জায়েদ খান ও শিরিন শিলা।