ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, তারা ২০০টিরও বেশি মার্কিন ড্রোন এবং যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। মঙ্গলবার আইআরজিসির উপপ্রধান মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি এক বক্তব্যে এই তথ্য প্রকাশ করেন, যা তেহরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শক্তি ও সক্ষমতা তুলে ধরে।
জেনারেল ইজাদি জানান, মার্কিন-ইসরায়েলি আকাশ অভিযানের ওপর ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি বড় আঘাত হেনেছে। তিনি বলেন, "ইরানি জনগণের সচেতন ও সক্রিয় উপস্থিতি শত্রুর ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিয়েছে," যা দেশের জাতীয় সংহতি ও সার্বভৌমত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিরোধিতা করছে। এই যুদ্ধের পেছনের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলা শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সামরিক কর্মকর্তাদের আক্রমণ করা।
ইরান সরকার দাবি করে যে, তারা টানা ৪০ দিনে প্রায় ১০০টি পাল্টা অভিযান চালিয়েছে, যার ফলে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় আঘাত করা হয়েছে।
তবে, ইরানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওয়াশিংটন সমঝোতার প্রতিটি ধারা লঙ্ঘন করেছে, ফলে তেহরানকে আবারও কঠোর জবাব দিতে হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দুই শয়ের বেশি মার্কিন ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের এই দাবি কতটা সত্যি।
যদি এই সংখ্যা বাস্তব ক্ষয়ক্ষতির কাছাকাছি হয়, তাহলে এটি মার্কিন আকাশ অভিযানের জন্য একটি ভয়াবহ ধাক্কা হতে পারে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যে মার্কিন সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে কার্যকরী, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।