যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানে নজিরবিহীন হামলার হুঁশিয়ারি আসার প্রেক্ষাপটে রুশ গণমাধ্যম আরটি মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার চিত্র তুলে ধরেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিপার ড্রোনসহ প্যাট্রিয়ট, টমাহক ও থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত ব্যাপকভাবে কমেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৮৫টি রিপার ড্রোনের মধ্যে ৪৫টি হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৩০ কোটি ডলার।
তবে রিপার ড্রোনের কোনো দ্রুত বিকল্প নেই, এবং ২০২০ সালে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর নতুন ড্রোনের উৎপাদন শুরু হয়নি। পেন্টাগন মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ব্যবহৃত এমকিউ-৯ কেনার এবং উৎপাদন পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা করছে।
এছাড়া, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও কমেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকের বেশি এবং থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার করা হয়েছে। টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশও ব্যবহৃত হয়েছে।
পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় গুরুতর অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং যোগাযোগব্যবস্থাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। চীনকে মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রেক্ষাপটে পুরোনো ঘাঁটিগুলোর অবকাঠামো সচল রাখাও একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।