২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স মূল্যায়নের নতুন ব্যবস্থা ‘ফিফা পাওয়ার র্যাঙ্কিং’। এই র্যাঙ্কিং সৌদি জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আরামকোর সহযোগিতায় তৈরি করেছে ফিফা, যা ফুটবলারদের পারফরম্যান্সকে ডেটাভিত্তিক ও নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করবে।
ফিফার মতে, এই নতুন ব্যবস্থা খেলোয়াড়দের গোল, অ্যাসিস্টের বাইরেও মাঠে তাদের সামগ্রিক অবদান তুলে ধরবে। উন্নত পারফরম্যান্স ডেটা ও বিশেষ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে প্রতিটি ম্যাচের পর ফুটবলারদের মূল্যায়ন করা হবে।
আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স তিনটি বিভাগে এবং গোলরক্ষকদের জন্য দুটি বিভাগে মূল্যায়ন করা হবে। খেলোয়াড়দের স্কোর ০ থেকে ১০ এর মধ্যে হবে। তবে রেটিং পেতে হলে একজন খেলোয়াড়কে অন্তত ২০ মিনিট মাঠে থাকতে হবে।
প্রতিটি ম্যাচের শেষ হওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যে খেলোয়াড়দের স্কোর প্রকাশ করা হবে। বিশ্বকাপের প্রতিটি রাউন্ড শেষে ‘পাওয়ার র্যাঙ্কিং ক্লাসিফিকেশন’ প্রকাশ করা হবে, যেখানে সেরা ১০০ জন খেলোয়াড়ের তালিকা থাকবে।
ফিফা প্রতিটি বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে আক্রমণাত্মক ভূমিকা, দূরদৃষ্টি, এবং গোলরক্ষণের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত।
ফিফার Enhanced Performance Data ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের প্রতিটি অ্যাকশন বিশ্লেষণ করা হবে, এবং বিশেষ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে চূড়ান্ত পাওয়ার র্যাঙ্কিং তৈরি হবে।
এই র্যাঙ্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন করেছেন সাবেক আর্সেনাল কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার এবং ফিফা টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ।
ফিফার দাবি, এই ব্যবস্থা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
ফিফা পাওয়ার র্যাঙ্কিংয়ের বেস্ট ১০ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, দ্বিতীয় স্থানে লিওনেল মেসি।