বিশ্বজুড়ে ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি, আবাসন সংকট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাজেট ঘাটতির প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান রয়েছে, যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ ৪১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট জিডিপির ১২৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন, তৃতীয় জাপান, চতুর্থ যুক্তরাজ্য এবং পঞ্চম ফ্রান্স।
বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম, যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ ২০৪.৯ বিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালে এ ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ৪০.৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ গত দেড় দশকে ঋণ বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৪০ শতাংশ, যা উন্নত দেশের তুলনায় এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে ঋণের সুদ মেটাতে সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হওয়ায় জনসেবার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের সরকারকে কর বাড়ানো কিংবা সরকারি খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। জীবনযাত্রার মান কমে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষও চাপে পড়েছে।