সরকারি তথ্যে দেশে মূল্যস্ফীতি কমার কথা বলা হলেও, বাজারে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি নেই। টানা ৫৩ মাস ধরে মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের সঙ্গে সেবা খাতের খরচও বেড়ে যাওয়ায় আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলাতে পারছেন না তারা। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, "চাকরির বেতনে সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই অফিসের কাজের পাশাপাশি খাবার সরবরাহের কাজ শুরু করেছি।"
পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যমতে, জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। ছয় মাসে মানুষের আয় যতটা বেড়েছে, পণ্যের দাম তার চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে।
জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও রান্নার গ্যাসের দামেও স্বস্তি মিলছে না। বাড়তি ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে অনেককেই খরচের কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
ক্যাবের সহ সভাপতি এস এম নাজের হোসাইনের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি চাল, ডাল, তেলসহ ভোগ্যপণ্যের বাজারে কয়েকটি কোম্পানির কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার তাগিদ দেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দরিদ্র জনগণের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি মধ্যবিত্তের জন্যও আলাদা পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।