যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকাজুড়ে অন্তত দুই হাজার ভবন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ। তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি ধসে পড়া একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
মুনির আল-বুরশ জানান, স্বজনরা এ পর্যন্ত নিখোঁজ ৭৫ জনেরও বেশি মানুষের নাম নথিভুক্ত করেছেন, যার মধ্যে অন্তত ৫০ জন শিশু। গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নিকটবর্তী এলাকায় চালানো বোমাবর্ষণের কারণে ওই ছয়তলা ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরে এটি আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত পরিবার এবং আশপাশের অস্থায়ী তাঁবুগুলোর ওপর ধসে পড়ে।
মুনির আল-বুরশ বলেন, "আমরা এক চরম ও নিষ্ঠুর সময়ের বিরুদ্ধে অসম লড়াই করছি। প্রতিটি মিনিট পেরিয়ে যাওয়া মানেই একেকটি তাজা প্রাণ নিভে যাওয়া।" তিনি উল্লেখ করেন, কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপের গভীর থেকে এখনও মানুষের বাঁচার আকুতি ও আর্তচিৎকার স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।
উদ্ধার তৎপরতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, উদ্ধারকারী দলগুলো চরম সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করছে। ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব ও বিম সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ক্রেন বা বুলডোজারের মতো ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট রয়েছে, ফলে আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।